Skip to main content

মন্দিরের উপার্জন ও ব্যায়

বর্তমানে ভারতে সবচেয়ে জনপ্রিয় মন্দিরগুলির মধ্যে একটি হল বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দির। এই মন্দির থেকে প্রতি বছর প্রায় 200 কোটি টাকার উপার্জন হয়।

অযোধ্যার রামমন্দির কাশী বিশ্বনাথ মন্দির বা তার চেয়েও বেশি জনপ্রিয়। তাই, এটি থেকে বছরে 500 কোটি টাকা বা তারও বেশি উপার্জন হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।



এখন প্রশ্ন হল, এইসব মন্দির থেকে যে কোটি কোটি টাকা উপার্জন হয়, তা কোথায় খরচ করা হয়? আমি ধরলাম 200 কোটি নয়, 100 কোটি উপার্জন হয়। তবুও সেটা কোথায় ব্যায় করা হয়? হিন্দুদের কাজে নাকি, দেশের উন্নতি, দশের উন্নতিতে?


মন্দিরের উপার্জিত টাকার ব্যবহার 


সঞ্চয়:

সত্যি বলতে, মন্দির থেকে যা উপার্জন হয়, তার বেশিরভাগই হয় ব্যাঙ্কে জমা রাখা হয় অথবা অথবা স্বর্ণ হিসেবে Reserve করা হয় মন্দিরের কোষাগারে।



খরচ :

সাধারণত, মন্দিরের উপার্জনের টাকা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ব্যয় করা হয়:

  • মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ

মন্দির পরিচালনার জন্য যেমন বিদ্যুৎ, জল, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, কর্মচারীদের বেতন ইত্যাদি খরচ হয়। এছাড়াও, মন্দির ভবন, মূর্তি, অলঙ্কার ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও অর্থ ব্যয় করা হয়।

  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও উৎসব

মন্দিরগুলিতে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও উৎসব পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠান ও উৎসবের জন্য অর্থ ব্যয় করা হয়।

  • ধর্মীয় শিক্ষা ও প্রাত্যহিক লঙ্গর 

কিছু মন্দির ধর্মীয় শিক্ষা ও প্রচার কার্যক্রমের জন্য গুরুকূল আছে। সেসবের পিছনে খরচের পাশাপাশি প্রাত্যহিক প্রসাদ বিতরণের কাজেও বেশ কিছু অর্থ খরচ হয়।

  • সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ

অধিকাংশ বড় মন্দিরগুলি সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের জন্য অর্থ ব্যয় করে। যেমন, গরীবদের সাহায্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, ত্রাণ তহবিল গঠন ইত্যাদি।

কখনো বা বাসস্ট্যান্ড, হাসপাতাল, বাজার নির্মাণ বা শহরের সৌন্দর্যকরনের কাজে খরচ করা হয়। এর ফলে হিন্দুদের টাকা হয়ে যায় জনগণের টাকা। সকলের জন্য সামাজিক উন্নয়ন করতে অনুপ্রাণিত করেন মন্দির বোর্ডে থাকা রাজনেতা বা জনপ্রতিনিধিরা। ফলে, হিন্দুদের উন্নয়ন ব্যহত হয়।


মন্দিরের উপার্জন থেকে কখনো জমি কেনা হয়। কিন্ত এই জমিগুলোর অধিকাংশ পতিত থাকার ফলে কখনো মন্দিরের অধীনস্থ জমি জবরদখল করে নেয় মুসলমানরা বা অন্য কেও। আবার কখনো সরকার মন্দির কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন সরকারী কাজে জমি দানের জন্য। ফলে এটাও কোনো কাজে আসে না। নিট ফল 0.


মন্দিরের সঞ্চিত সম্পদ কখনো চোরের নিয়ে যায়, কখনো বা সরকার জোর করে দখল করে নেয়। কখনো মন্দিরের উপর জোর করে মোটা ট্যাক্স চাপানো হয়। যদিও সেটা নির্ভর করে সরকারের উপর। কিন্তু এতেও ব্যহত হয় হিন্দুদের উন্নয়ন। 


কিন্তু, এই সমস্ত মন্দিরের অর্ধেক টাকা যদি যেকোনো একটি বিষয়ের উপর খরচ করা হয় তাহলে সে বিষয়টি ৭০% কমে যাবে। সেটা ধর্মান্তরন হোক বা অন্য কিছু।


ভারতবর্ষের পাঁচটি বড় মন্দিরের টাকা একজোট করে যদি টার্গেট fixed করে হিন্দুদের পিছনে খরচ করতে আরম্ভ করা হয় তাহলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে হিন্দু পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত হতে পারে।

Popular posts from this blog

স্বাধীনতার নায়করা পর্ব ~ ১৫

ভারতীয় সাংবাদিকতার জনক কে চেনেন..? বিগত একযুগ ধরে রাজ্য রাজনীতিতে সবচেয়ে আলোচিত রাস্তাটির নাম আজ আর নিশ্চয়ই কাউকে বলে দিতে হবেনা..? হরিশ মুখার্জী স্ট্রিট এর কথা বলছি। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস যার নামে এই রাস্তা তাঁর পরিচয় জিজ্ঞেস করলে বেশিরভাগ লোকজনই মাথা চুলকাবেন। ঐ এলাকার যারা বাসিন্দা, তারাও কি সবাই জানেন.... ? ১৮২৪ সালে জন্ম মানুষটির, পুরো নাম হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়। ভবানীপুর তখন একেবারেই গণ্ডগ্রাম। সাত বছরের হরিশ রেভারেন্ড পিফার্ডের বদান্যতায় ভবানীপুরের ইউনিয়ন স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান। একদিন এক ইংরেজ শিক্ষক ভারতীয় ছেলেদের 'ব্লাডি ইন্ডিয়ান নিগার' বলে গালিগালাজ করায় স্কুল চত্বরেই হরিশ তাঁকে বেদম ঠ্যাঙান। মাত্র পনেরো বছর বয়সে স্কুল ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে বেরোতে হয় হরিশকে, কিন্তু মাসের পর মাস ঘুরেও কোনও চাকরি জোটে না। শেষমেশ ‘টলা অ্যান্ড কোম্পানি'-র কলুটোলার অফিসে নেটিভ রাইটারের চাকরি পান। সেখানে গিয়ে দেখলেন, শ্বেতাঙ্গদের সঙ্গে নেটিভদের বেতনে বিরাট ফারাক। দেশীয় লোকেরা প্রাপ্য মর্যাদাও পায় না। অফিসে উন্নতির পক্ষে বাধা হয়ে দাঁড়ালো তাঁর প্রতিবাদী স্বভাব। নে...

স্বাধীনতার নায়করা পর্ব ~ ১১

কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার এর নাম তো জানেন। কিন্তু জানেন কি যে কে ছিলেন এই সন্তোষ মিত্র..? ইংরেজদের গণহত্যায় মৃতদের মরদেহ আনতে হিজলী এসেছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু। বন্দিদের উপর গুলি চালানো এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এই হত্যাকাণ্ডের পরেই কলকাতা কর্পোরেশন তরফে সেন্ট জেমস স্কোয়ার-এর নাম বদলে নাম রাখা হয় 'সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার'। তখন কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন সুভাষ চন্দ্র বসু, তিনিই ছিলেন এই নামবদলের প্রধান কান্ডারি। আজকের এই পার্ক সংলগ্ন ১সি হলধর বর্ধন লেনের বাড়িতে জন্ম হয়েছিল সন্তোষ মিত্রের। সেখানে এক স্মারক বানানো হয়েছে তাঁর স্মৃতিতে। কলকাতা কর্পোরেশন ‘সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার' এর ভিতরে তাঁর একটি মর্মর মূর্তিও স্থাপন করেছে। উত্তর কলকাতার এই সন্তোষ মিত্র ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসুর সহপাঠী। ১৯০০ সালের ১৫ই আগস্ট কলকাতায়, এক মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তোষ মিত্র জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯১৫ সালে কলকাতায় হিন্দু স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন এবং ১৯১৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (প্রেসিডেন্সি কলেজ) থেকে দর্শন শাস্ত্রে সাম্মানিক স্নাতক হয়েছিলেন। সন্তোষ মিত্র ছিলেন মেধাবী ছাত্র, এরপরে ১৯২...

Is it possible to establish Hindu Rashtra in Kali Yuga?

Wherever a Muslims live, no matter where is it in the world, it is a Muslim state (undoubtedly). It doesn't matters on its size. Wherever Muslims are living, that area is a Muslim state. No matter how small or large is the area in which Muslims are dwelling. it just means a Muslim dominated area. But wherever Hindus are living it is just a civilion area. Because Hindus do not have their own social system, do not have their own Governance system, do not have their own education system, do not have their own judicial system, Hindus cannot do exclusive business, do not give Dasangsha Dan (tax) to the Temples, do not mean to anyone, do not mean society, do not It means religion. So how will India become a Hindu Rashtra? At first Learn to control them. The day when you will control all the systems, Hindu Rashtra will get automatically. What you think, the government will give Hindu Rashtra, that is impossible. Government can give only one geographical area if it wants. But it is the r...