Skip to main content

পূজার প্রকারভেদ

ভালোভাবে লক্ষ্য করলে বোঝা যাবে পূজোর কিছু আলাদা দিক আছে। 

১) ঈশ্বর পূজার্চনা সেবা ব্রত : সাধারণ সমস্ত পূজোই এর মধ্যে পড়ে।

২) কায়িক (শারিরিক) কষ্ট, বলিদান :

১| চৈত্র চরক পূজা
২| গাজন উৎসব 
৩| ধর্মরাজ পূজো
৪| মনসা পূজো

এখানে শারিরিক কষ্টের মাধ্যমে ঈশ্বর কে তুষ্ট করার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়।

৩) শৌর্য বা বীরত্বের পূজো যাকে এককথায় ক্ষত্রিয়দের পূজো বলে। যেমন-


১| রাবন বধ- অস্ত্র পূজা (অসুর নিধনের প্রতিজ্ঞা পালন)
২| কৃষ্ণ আষ্টমী (অস্ত্র পূজো) (কংস বধ)
৩| রামনবমী (রাবণকে বধ)
৪| বিজয়া দশমী
৫| পরশুরাম জয়ন্তী (ক্ষত্রিয়দের নাশ)

এখানে অস্ত্রের মাধ্যমে ন্যায়ের প্রতিজ্ঞা নেওয়া হয়। ধর্ম কে টিকিয়ে রাখার ও অধর্মকে পরাস্ত করার প্রতিজ্ঞা নেওয়া হয়।

Popular posts from this blog

Urdu Dominated Patriotism

:: Urdu Dominated Patriotism :: ১৫ই আগস্ট হোক বা ২৬ জানুয়ারি প্রতিটি জাতীয় অনুষ্ঠানেই দেশভক্তির গান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই গানগুলি আমাদের আবেগকে আরো বাড়িয়ে দেয়। কিন্ত এই গুলোকে কখনো ভালোভাবে শুনেছেন  কি?  শুনেছেন!  ঠিক আছে, কয়েকটি পরীক্ষা নেওয়া যাক। আচ্ছা বলুন তো 'বুলবুলে' মানে কি? 'গুলিস্তাঁ' মানে কি? পারবেন না!? সে কি মশাই, "সারে জাহাঁ সে আচ্ছা, হিন্দোস্থা হমারা" শোনেন নি!? আপনারা অবশ্য হিন্দুস্থা নয়, হিন্দু সীতা হামারা শোনেন। সেটা অবশ্যই আপনাদের শোনার ভুল। কট্টর জিহাদী গায়ক যে কখনোই হিন্দু সীতা বলতে পারে না সেটা আপনারা বুঝতে পারেন না। সারে জঁহা সে আচ্ছা তো বহুবার শুনেছেন। এবার ওই একই লেখকের লেখা আসল গানটা একটু শুনুন -  এর অর্থ- " আমরা  মুসলমান  এবং সারা জাহান আমাদের তৌহীদের  আমানৎ আমাদের সীনায় রয়েছে মিঠানো আসান ন​য়, আমাদের নাম ও নিশান ভূত-মূর্তির দুনিয়ায় তবু পহেলা ঘর খোদার; আমরা এর হেফাজতকারী, এবং এটি আমাদের হেফাজতকারী তেগের ছায়ায় আমরা নওজোয়ান হয়ে ওঠেছি আমাদের কওমী নিশান হচ্ছে হেলালের খঞ্জর আমাদের  আজান  পশ্চিমা উপত্যকাসমূ...

বাংলার বারুজীবী বৃত্তান্ত

একসময় পান সুপারি দিয়ে নেমন্তন্ন করার প্রথা ছিল গ্রাম বাংলায়। তারপর ভোজের শেষে মুখুশুদ্ধি হিসেবেও পানের ব্যবহার ছিল তখন ।পান রাঙ্গা ঠোঁট ছিল আজকের সুন্দরীদের লিপস্টিক এর বিকল্প। আর এই পানের চাষ ও বিক্রির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের বলা হতো বারুজীবি বা বারুই। পশ্চিমবঙ্গে হাওড়া ,হুগলি ও বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়িতে রয়েছে বারুইপাড়া ।এছাড়া দুই মেদনীপুর সহ অন্যান্য জেলাতেও কমবেশি এই সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। একেবারে নিরীহ শান্ত সৌম্য ভীতু প্রকৃতির সম্প্রদায় ।তবে শৈল্পিক চিন্তাধারা বিশেষভাবে ফুটে ওঠে এই সম্প্রদায়ের। উৎপত্তি - বারুজিবী জাতির উৎপত্তি সম্পর্কে একটি প্রচলিত লোককথা রয়েছে ।সেখানে বলা হয়েছে এক শিব ভক্ত ব্রাহ্মণ ছিলেন ।তিনি প্রতিদিন শিব পূজা করতেন। কিন্তু, তার আরো অনেক কাজ ছিল ।যেমন যেমন পান চাষ, কাপড়বোনা প্রভৃতি।ব্রাহ্মণের বেশিরভাগ সময় চলে যেত ওই কাজে।তারপর কোন এক সময় পেলে শিবের মাথায় দুই একটি ফুল ছুঁড়ে কর্তব্য সারতেন। এসব দেখে শিব ঠাকুর তাকে আন্তরিকভাবে শুধুমাত্র তার পূজা করতে বললেন। এবং আরো জানিয়ে দিলেন তা করলে তার কোন অভাব থাকবে না। কিন্তু, ব্রাহ্মণ সে ...