Skip to main content

শাশুড়ি ও বৌমার ঝামেলা থামানোর স্বাভাবিক উপায় |

সংসারে কিছু থাকুক বা না থাকুক, নারীরা সংসারকে নিজের সম্পদ হিসেবে আঁকরে ধরে রাখে। এ নারীর এক অসীম গুণ। নারীর এই সেবা পরায়নতাতেই তো সংসার স্বর্গে পরিনত হয় ।

কিন্তু, নারীর এই মহান গুণটিও কখনো কখনো বিপদ ডেকে আনে। যেমন, পুত্রের বিবাহের পরেও সেই পুত্রের মাতা সংসারের চাবিটি নবাগত পুত্রবধূর হাতে তুলে দিতে রাজি হননা। তখনি হয় বিপদ। দুজনেই নিজের সম্পদকে নিজ করগত করার জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন। তারফলে দ্বন্দ্ব ততদিন চলতে থাকে যতদিন না একজন সম্পূর্ণ শেষ হচ্ছে।

যদি চতুরাশ্রম চলতো, তাহলে নিয়ম অনুসারে, পুত্রের বিবাহের পর পিতা-মাতার শুরু হয় বানপ্রস্থ আশ্রম। এই সময়ের কাজ হলো সংসার চিন্তা ছেড়ে, সাংসারিক দায়িত্ব পুত্র ও পুত্রবধূর হাতে দিয়ে ইশ্বর চিন্তায় নিজেকে সমর্পিত করা।

আধুনিক যুগে যদিও বা এই আশ্রম প্রথা মানা সম্ভব নয়, তাও যদি পিতা-মাতারা সংসার চিন্তা ছেড়ে, সংসারের বাইরে থেকে সংসারের উন্নয়নে নজর দেন তাহলে এই যুদ্ধটা এমনিতেই শেষ হয়ে যায়...!

আমার বক্তব্য কাউকে আঘাত করলে আমি দুঃখিত। পিতা মাতার প্রতি আমি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু, শাশুড়ি ও বৌমার ঝামেলা থামানোর এটাই একমাত্র স্বাভাবিক উপায় |

Popular posts from this blog

*শ্রেষ্ঠ শিক্ষা গুরু*

চক - ডাস্টার শক্ত কাঠের চেয়ার কড়া শব্দের জটিল বইয়ের ভাষা, তবুও কোথাও কঠিন গলার সুরে " আর ফাঁকি নয় " জাগায় ক্ষণিক আশা ! ঝিমিয়ে পরা হতাশ হওয়া বুকে হঠাৎ জ্ঞানের আগুন জ্বালাও তুমি, স্বপ্নে মোরা রবি ঠাকুরের দেশে শ্রেষ্ঠ আসনে তুমিও "মহান গুণী"। হাহাকারে মোড়া ধ্বংসলীলার দেশে ঠিক যতবার ব্যর্থ হয়ে ফিরি , পিঠ চাপড়ে উস্কে দিয়ে আরো তুমিই দেখাও শীর্ষে ওঠার সিঁড়ি। ইন্টারনেটের বিভীষিকাময় পথে তলিয়ে যেতেই অতল অন্ধকারে, চিন্তা- চেতনে মরমে তোমার বাণী -  ফিরিয়ে আনে শিক্ষা বারে বারে। জীবনানন্দ প্রেমের কবি জানি রবির কাব্যে বইছে মুক্ত ধারা, জ্ঞানদাস বা বিদ্যাপতি সবই  তুচ্ছ ভীষণ তোমার সঙ্গ ছাড়া। নেতাজি কিংবা নজরুল সুরে সুরে গর্জে উঠলো বীর থেকে সব ভীরু !! আমার কলমে ছাপিয়ে পড়ুক তেমন তোমার মহিমা " শ্রেষ্ঠ শিক্ষা গুরু "।। - সুস্মিতা 🍁
 গান্ধীজির দ্বারা 'রঘুপতি রাঘব রাজা রাম'  ভজনের বিকৃতি ____________________________________________________________________________________ ভারতবর্ষে মহাভারতের একটি বিখ্যাত শ্লোক ভুল পড়ানো হয়। কিন্তু কেন ভুল পড়ানো হয়❓মনে হয় মহাত্মা গান্ধীর জন্য..... 🔴আমরা বলি -- "#অহিংসা_পরম_ধর্ম"     কিন্তু, আসল পূর্ন শ্লোকটি হল-                  "অহিংসা পরম ধর্ম।                  ধর্মহিংসা তদৈব চ।।" -অর্থাৎ অহিংসা মনুষ্য জীবনের পরম ধর্ম, এবং ধর্ম রক্ষার স্বার্থে হিংসা করা তারচেয়েও শ্রেষ্ঠ।❤❤ 🔴মহাত্মা গান্ধী শুধু এই শ্লোকটাই নয়, হিন্দু ধর্মের একটি প্রসিদ্ধ ভজনকেও পাল্টে দিয়েছিলেন । "রঘুপতি রাঘব রাজারাম" এই ভজনটির আসল নাম ছিল "রাম ধুন", যা খুবই প্রসিদ্ধ ভজন ছিল। যেটাকে মহাত্মা গান্ধী বদলে দিয়ে "আল্লাহ" যুক্ত করে দিয়েছিলেন......😠। 🟢গান্ধীজীর দ্বারা পরিবর্তিত ভজনটি হল- রঘুপতি রাঘব রাজা রাম পতিত পাবন সীতারাম । সীতারাম সীতারাম,  ভজ প্যারে তু সীতারাম ঈশ্বর আল্লাহ তেরে নাম সবকো সুমতি দে ভগবান...

Bahara Adarsha Vidyapith images