Skip to main content

শাশুড়ি ও বৌমার ঝামেলা থামানোর স্বাভাবিক উপায় |

সংসারে কিছু থাকুক বা না থাকুক, নারীরা সংসারকে নিজের সম্পদ হিসেবে আঁকরে ধরে রাখে। এ নারীর এক অসীম গুণ। নারীর এই সেবা পরায়নতাতেই তো সংসার স্বর্গে পরিনত হয় ।

কিন্তু, নারীর এই মহান গুণটিও কখনো কখনো বিপদ ডেকে আনে। যেমন, পুত্রের বিবাহের পরেও সেই পুত্রের মাতা সংসারের চাবিটি নবাগত পুত্রবধূর হাতে তুলে দিতে রাজি হননা। তখনি হয় বিপদ। দুজনেই নিজের সম্পদকে নিজ করগত করার জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন। তারফলে দ্বন্দ্ব ততদিন চলতে থাকে যতদিন না একজন সম্পূর্ণ শেষ হচ্ছে।

যদি চতুরাশ্রম চলতো, তাহলে নিয়ম অনুসারে, পুত্রের বিবাহের পর পিতা-মাতার শুরু হয় বানপ্রস্থ আশ্রম। এই সময়ের কাজ হলো সংসার চিন্তা ছেড়ে, সাংসারিক দায়িত্ব পুত্র ও পুত্রবধূর হাতে দিয়ে ইশ্বর চিন্তায় নিজেকে সমর্পিত করা।

আধুনিক যুগে যদিও বা এই আশ্রম প্রথা মানা সম্ভব নয়, তাও যদি পিতা-মাতারা সংসার চিন্তা ছেড়ে, সংসারের বাইরে থেকে সংসারের উন্নয়নে নজর দেন তাহলে এই যুদ্ধটা এমনিতেই শেষ হয়ে যায়...!

আমার বক্তব্য কাউকে আঘাত করলে আমি দুঃখিত। পিতা মাতার প্রতি আমি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু, শাশুড়ি ও বৌমার ঝামেলা থামানোর এটাই একমাত্র স্বাভাবিক উপায় |

Popular posts from this blog

Shreya Ghoshal AI photos!

বাংলার বারুজীবী বৃত্তান্ত

একসময় পান সুপারি দিয়ে নেমন্তন্ন করার প্রথা ছিল গ্রাম বাংলায়। তারপর ভোজের শেষে মুখুশুদ্ধি হিসেবেও পানের ব্যবহার ছিল তখন ।পান রাঙ্গা ঠোঁট ছিল আজকের সুন্দরীদের লিপস্টিক এর বিকল্প। আর এই পানের চাষ ও বিক্রির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের বলা হতো বারুজীবি বা বারুই। পশ্চিমবঙ্গে হাওড়া ,হুগলি ও বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়িতে রয়েছে বারুইপাড়া ।এছাড়া দুই মেদনীপুর সহ অন্যান্য জেলাতেও কমবেশি এই সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। একেবারে নিরীহ শান্ত সৌম্য ভীতু প্রকৃতির সম্প্রদায় ।তবে শৈল্পিক চিন্তাধারা বিশেষভাবে ফুটে ওঠে এই সম্প্রদায়ের। উৎপত্তি - বারুজিবী জাতির উৎপত্তি সম্পর্কে একটি প্রচলিত লোককথা রয়েছে ।সেখানে বলা হয়েছে এক শিব ভক্ত ব্রাহ্মণ ছিলেন ।তিনি প্রতিদিন শিব পূজা করতেন। কিন্তু, তার আরো অনেক কাজ ছিল ।যেমন যেমন পান চাষ, কাপড়বোনা প্রভৃতি।ব্রাহ্মণের বেশিরভাগ সময় চলে যেত ওই কাজে।তারপর কোন এক সময় পেলে শিবের মাথায় দুই একটি ফুল ছুঁড়ে কর্তব্য সারতেন। এসব দেখে শিব ঠাকুর তাকে আন্তরিকভাবে শুধুমাত্র তার পূজা করতে বললেন। এবং আরো জানিয়ে দিলেন তা করলে তার কোন অভাব থাকবে না। কিন্তু, ব্রাহ্মণ সে ...
বাংলা লুঠ কি কেবল ব্রিটিশরাই করেছিল? ১৬৫৮ সালে শাহ সুজার সময়ে বাংলার ভূমি বন্দোবস্ত হয়েছিল। আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ধার্য হয়েছিল ১ কোটি ৩১ লাখ ১৫ হাজার ৯০৭ টাকা। ১৭০০ সাল নাগাদ মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব লক্ষ্য করেন, বিভিন্ন কারণে বাংলার রাজস্ব আদায় ক্রমেই কমে আসছে। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তিনি তাঁর বিশ্বস্ত কর্মচারী করতালাব খাঁ-কে (পরবর্তীকালে মুর্শিদকুলী খাঁ নামে বিখ্যাত) বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত করলেন। ১৭০০ সালে আদায় হল ১ কোটি ১৭ লাখ ২৮ হাজার ৫৪১ টাকা। ১৭১৭ সালে সুবাদার নিযুক্ত হয়ে বাংলার জমি জরিপ করালেন। ১৭২২ সালে নুতন ভূমি ব্যবস্থায় ১৩.৫ শতাংশ রাজস্ব বাড়িয়ে তা করা হল ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৮ হাজার ১৮৬ টাকা। ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ নবাব সিরাজদ্দৌলা আদায় করেছিলেন ১ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৫৬১ টাকা।  নবাব হওয়ার পর মুর্শিদকুলী বাংলার ভূমি রাজস্বের আর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি দেওয়ানি বিভাগের হিসাবরক্ষক ও মুৎসুদ্দিদের জন্য এক খাতে বাংলার জমিদারদের উপর বাড়তি ভূমি রাজস্ব বসিয়েছিলেন। এর নাম ছিল 'আবওয়াব'। তাঁর উত্তরাধিকারীরা ক্রমশ এই কর বাড়াতে থাকেন, যা বাংলার গ্রামীণ অর্থনীত...