Skip to main content

তার্কিক জিহাদ

ইদানিং অনলাইনের জগতে কিছু জেহদি মুসলমানের আর্বিভাব হয়েছে যারা বেদ সম্বন্ধে জ্ঞাত এবং মূর্খ বিশেষ এরা যথেষ্ঠ চালাক। বেদে সম্বন্ধে কোনো প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন না থাকলেও ইন্টারনেট থেকে কতিপয় বেদের ই-বুক ডাউনলোড করে, হিন্দুদের মধ্যে বেদ সম্বন্ধে মিথ্যাচার করে ও সাধারণ হিন্দুদের ব্রেণ ওয়াস করে তাদের দ্বিতীয় মুসলমান বানানোর প্ল্যানে নেমেছে।

১| নিজের কু-বুদ্ধি খাটিয়ে বেদের মূল মন্তব্য কে ভেঙেচুড়ে, বিকৃতি করে, কতিপয় ত্রুটিপূর্ণ_বেদের সাহায্য নিয়ে তাদের এইসব মন্তব্য গুলোকে এখন ইন্টারনেটে প্রচার করতে নেমেছে।

২| তার্কিক জিহাদ নিয়ে মুসলমানরা একতরফা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। Google এ বেদ নিয়ে যতো search করো, প্রথমে যে লেখাগুলো আসবে সবই মুসলমানদের লেখা...

৩| online বেদ বই, গীতা বইয়ের pdf download করবে, সেগুলোও হরফ প্রকাশনীর দ্বারা মুসলমানদের লেখা...

৪| মুসলমানদের planning হলো প্রথমে তোমার সাথে তর্ক করবে, তারপর তুমি যখন তর্কে না পেরে google থেকে বেদ, গীতা sankrant প্রবন্ধগুলো পড়বে, তখন তোমার নিজেরই মাথা ঘুরে যাবে.... এর পুরোটাই এক ব্যাপক চক্রান্ত.... আর, এটা শুরু হয়েছে Zakir Naik এর সময় থেকে.....

Popular posts from this blog

Shreya Ghoshal AI photos!

বাংলার বারুজীবী বৃত্তান্ত

একসময় পান সুপারি দিয়ে নেমন্তন্ন করার প্রথা ছিল গ্রাম বাংলায়। তারপর ভোজের শেষে মুখুশুদ্ধি হিসেবেও পানের ব্যবহার ছিল তখন ।পান রাঙ্গা ঠোঁট ছিল আজকের সুন্দরীদের লিপস্টিক এর বিকল্প। আর এই পানের চাষ ও বিক্রির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের বলা হতো বারুজীবি বা বারুই। পশ্চিমবঙ্গে হাওড়া ,হুগলি ও বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়িতে রয়েছে বারুইপাড়া ।এছাড়া দুই মেদনীপুর সহ অন্যান্য জেলাতেও কমবেশি এই সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। একেবারে নিরীহ শান্ত সৌম্য ভীতু প্রকৃতির সম্প্রদায় ।তবে শৈল্পিক চিন্তাধারা বিশেষভাবে ফুটে ওঠে এই সম্প্রদায়ের। উৎপত্তি - বারুজিবী জাতির উৎপত্তি সম্পর্কে একটি প্রচলিত লোককথা রয়েছে ।সেখানে বলা হয়েছে এক শিব ভক্ত ব্রাহ্মণ ছিলেন ।তিনি প্রতিদিন শিব পূজা করতেন। কিন্তু, তার আরো অনেক কাজ ছিল ।যেমন যেমন পান চাষ, কাপড়বোনা প্রভৃতি।ব্রাহ্মণের বেশিরভাগ সময় চলে যেত ওই কাজে।তারপর কোন এক সময় পেলে শিবের মাথায় দুই একটি ফুল ছুঁড়ে কর্তব্য সারতেন। এসব দেখে শিব ঠাকুর তাকে আন্তরিকভাবে শুধুমাত্র তার পূজা করতে বললেন। এবং আরো জানিয়ে দিলেন তা করলে তার কোন অভাব থাকবে না। কিন্তু, ব্রাহ্মণ সে ...
বাংলা লুঠ কি কেবল ব্রিটিশরাই করেছিল? ১৬৫৮ সালে শাহ সুজার সময়ে বাংলার ভূমি বন্দোবস্ত হয়েছিল। আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ধার্য হয়েছিল ১ কোটি ৩১ লাখ ১৫ হাজার ৯০৭ টাকা। ১৭০০ সাল নাগাদ মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব লক্ষ্য করেন, বিভিন্ন কারণে বাংলার রাজস্ব আদায় ক্রমেই কমে আসছে। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তিনি তাঁর বিশ্বস্ত কর্মচারী করতালাব খাঁ-কে (পরবর্তীকালে মুর্শিদকুলী খাঁ নামে বিখ্যাত) বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত করলেন। ১৭০০ সালে আদায় হল ১ কোটি ১৭ লাখ ২৮ হাজার ৫৪১ টাকা। ১৭১৭ সালে সুবাদার নিযুক্ত হয়ে বাংলার জমি জরিপ করালেন। ১৭২২ সালে নুতন ভূমি ব্যবস্থায় ১৩.৫ শতাংশ রাজস্ব বাড়িয়ে তা করা হল ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৮ হাজার ১৮৬ টাকা। ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ নবাব সিরাজদ্দৌলা আদায় করেছিলেন ১ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৫৬১ টাকা।  নবাব হওয়ার পর মুর্শিদকুলী বাংলার ভূমি রাজস্বের আর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি দেওয়ানি বিভাগের হিসাবরক্ষক ও মুৎসুদ্দিদের জন্য এক খাতে বাংলার জমিদারদের উপর বাড়তি ভূমি রাজস্ব বসিয়েছিলেন। এর নাম ছিল 'আবওয়াব'। তাঁর উত্তরাধিকারীরা ক্রমশ এই কর বাড়াতে থাকেন, যা বাংলার গ্রামীণ অর্থনীত...