Skip to main content

বাংলা রচনা

 আমার বিদ্যালয়


আমাদের বিদ্যালয়ের পাকা বাড়িটা বেশ বড়ো। এটি উচ্চ-বিদ্যালয়। অনেকগুলি সুবাতাস ও আলো ভরা শ্রেণি-কক্ষ আছে বিদ্যালয়ে। ছাত্রছাত্রীরা বেঞ্চে বসে আর আর শিক্ষক-শিক্ষিকারা বসেন চেয়ারে। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষেই একটি টেবিল এবং একটি ব্ল্যাকবোর্ড আছে। আমাদের ছাত্রীদের জন্য একটি সাধারণ-কক্ষ আছে। স্কুলে একটি দফতর-ঘর আর শিক্ষিকাদের জন্য ____আছে। আমাদের প্রধান শিক্ষিকার জন্য অন্য একটি ঘর আছে। আমাদের বড়ো একটি খেলার মাঠ আছে। স্কুলের সীমানায় রয়েছে সুন্দর একটি বাগিচা। আমাদের শিক্ষিকারা আমাদের ভালোবাসেন, আমরাও তাঁদের আদেশ পালন করি, তাঁদের শ্রদ্ধা করি এবং ভালোবাসি।



আমার গ্রাম


বর্ধমান জেলায় শালডুংরি গ্রামে আমার পিতৃপুরুষের বাড়ি। রেলস্টেশন থেকে অনেকদূরে আমাদের গ্রামটি। এ গ্রামের পূর্বদিকে বয়ে চলেছে ছোটো একটি নদী। এখানে আছে নীল আকাশ, গা-জুড়ানো টাটকা বাতাস আর সবুজ-সোনালী খেত। এ গাঁয়ের বেশির ভাগ মানুষই পরিশ্রমী চাষি আর জেলে। ছোটো ছেলেমেয়েদের জন্য একটি মাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় আমাদের গ্রামে। এই গ্রামের প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে। আমাদের গ্রামে ছোট্ট একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। ধুলিহীন রোদ-ঝলমলে দিন, বড়ো বড়ো সবুজ গাছের অরণ্য, ঝিঁঝির ডাক, জোনাকি-জ্বলা রাত আমার ছোট্ট গাঁয়ের সবকিছুই ____ করে, গর্বিত করে কারণ এখানে প্রত্যেকে প্রত্যেককে ভালোবাসে।

Popular posts from this blog

Shreya Ghoshal AI photos!

বাংলার বারুজীবী বৃত্তান্ত

একসময় পান সুপারি দিয়ে নেমন্তন্ন করার প্রথা ছিল গ্রাম বাংলায়। তারপর ভোজের শেষে মুখুশুদ্ধি হিসেবেও পানের ব্যবহার ছিল তখন ।পান রাঙ্গা ঠোঁট ছিল আজকের সুন্দরীদের লিপস্টিক এর বিকল্প। আর এই পানের চাষ ও বিক্রির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের বলা হতো বারুজীবি বা বারুই। পশ্চিমবঙ্গে হাওড়া ,হুগলি ও বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়িতে রয়েছে বারুইপাড়া ।এছাড়া দুই মেদনীপুর সহ অন্যান্য জেলাতেও কমবেশি এই সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। একেবারে নিরীহ শান্ত সৌম্য ভীতু প্রকৃতির সম্প্রদায় ।তবে শৈল্পিক চিন্তাধারা বিশেষভাবে ফুটে ওঠে এই সম্প্রদায়ের। উৎপত্তি - বারুজিবী জাতির উৎপত্তি সম্পর্কে একটি প্রচলিত লোককথা রয়েছে ।সেখানে বলা হয়েছে এক শিব ভক্ত ব্রাহ্মণ ছিলেন ।তিনি প্রতিদিন শিব পূজা করতেন। কিন্তু, তার আরো অনেক কাজ ছিল ।যেমন যেমন পান চাষ, কাপড়বোনা প্রভৃতি।ব্রাহ্মণের বেশিরভাগ সময় চলে যেত ওই কাজে।তারপর কোন এক সময় পেলে শিবের মাথায় দুই একটি ফুল ছুঁড়ে কর্তব্য সারতেন। এসব দেখে শিব ঠাকুর তাকে আন্তরিকভাবে শুধুমাত্র তার পূজা করতে বললেন। এবং আরো জানিয়ে দিলেন তা করলে তার কোন অভাব থাকবে না। কিন্তু, ব্রাহ্মণ সে ...
বাংলা লুঠ কি কেবল ব্রিটিশরাই করেছিল? ১৬৫৮ সালে শাহ সুজার সময়ে বাংলার ভূমি বন্দোবস্ত হয়েছিল। আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ধার্য হয়েছিল ১ কোটি ৩১ লাখ ১৫ হাজার ৯০৭ টাকা। ১৭০০ সাল নাগাদ মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব লক্ষ্য করেন, বিভিন্ন কারণে বাংলার রাজস্ব আদায় ক্রমেই কমে আসছে। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তিনি তাঁর বিশ্বস্ত কর্মচারী করতালাব খাঁ-কে (পরবর্তীকালে মুর্শিদকুলী খাঁ নামে বিখ্যাত) বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত করলেন। ১৭০০ সালে আদায় হল ১ কোটি ১৭ লাখ ২৮ হাজার ৫৪১ টাকা। ১৭১৭ সালে সুবাদার নিযুক্ত হয়ে বাংলার জমি জরিপ করালেন। ১৭২২ সালে নুতন ভূমি ব্যবস্থায় ১৩.৫ শতাংশ রাজস্ব বাড়িয়ে তা করা হল ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৮ হাজার ১৮৬ টাকা। ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ নবাব সিরাজদ্দৌলা আদায় করেছিলেন ১ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৫৬১ টাকা।  নবাব হওয়ার পর মুর্শিদকুলী বাংলার ভূমি রাজস্বের আর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি দেওয়ানি বিভাগের হিসাবরক্ষক ও মুৎসুদ্দিদের জন্য এক খাতে বাংলার জমিদারদের উপর বাড়তি ভূমি রাজস্ব বসিয়েছিলেন। এর নাম ছিল 'আবওয়াব'। তাঁর উত্তরাধিকারীরা ক্রমশ এই কর বাড়াতে থাকেন, যা বাংলার গ্রামীণ অর্থনীত...