Skip to main content

মোহন ভাগবতের কার্যকাল আর কত দিন?

🔴 মোহন ভাগবতের কার্যকাল আর কত দিন,
বলতে পারবেন? RSS এর পরবর্তী সরসঙ্ঘচালকের নির্বাচন কবে হবে? কে হবে পরবর্তী সরসঙ্ঘচালক?

চলুন আজ সরসঙ্ঘচালক পদ্ধতি সম্পর্কে একটু আলোকপাত করা যাক। একজন স্বয়ংসেবক কিভাবে সরসঙ্ঘচালক হন?

সরসঙ্ঘচালক পদ্ধতি সঙ্ঘের শুরুর দিক থেকেই চলে আসছে। এর নিয়োগ পদ্ধতি হলো - একজন সরসঙ্ঘচালক যখন মনে করেন তিনি ঠিক মতো সেবা করতে পারছেন না, বা তার শারিরীক অক্ষমতার জন্য তিনি ঠিক মতো কাজ করতে পারছেন না, তখন তিনি পরবর্তী কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে পরবর্তী সরসঙ্ঘচালক নিয়োগ করেন।

তাই, মোহন ভাগবতের যতদিন ইচ্ছা ততদিন তিনি RSS এর সরসঙ্ঘচালক থাকবেন, সেটা আজীবনও হতে পারে।

RSS এর পরবর্তী সরসঙ্ঘচালক কে হবে, সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে মোহন ভাগবতের ইচ্ছার উপর। তিনি যে কাউকে পরবর্তী সরসঙ্ঘচালক মনোনীত করতে পারেন।

সরসঙ্ঘচালকের কার্যকালের কোনো সময়সীমা হয় না। যখন মোহন ভাগবত মনে করবেন তিনি ঠিক মতো সেবা করতে পারছেন না, বা তার শারিরীক অক্ষমতার জন্য তিনি ঠিক মতো কাজ করতে পারছেন না, তখন তিনি কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে পরবর্তী সরসঙ্ঘচালক মনোনীত করবেন।

যার জবাবদিহি করার ভয় নেই, যার পদচ্যুতির ভয় নেই, তার কার্যাকলাপ মধ্যে যে অন্যরকম হবেই তা বলাই বাহুল্য।

Popular posts from this blog

Shreya Ghoshal AI photos!

বাংলার বারুজীবী বৃত্তান্ত

একসময় পান সুপারি দিয়ে নেমন্তন্ন করার প্রথা ছিল গ্রাম বাংলায়। তারপর ভোজের শেষে মুখুশুদ্ধি হিসেবেও পানের ব্যবহার ছিল তখন ।পান রাঙ্গা ঠোঁট ছিল আজকের সুন্দরীদের লিপস্টিক এর বিকল্প। আর এই পানের চাষ ও বিক্রির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের বলা হতো বারুজীবি বা বারুই। পশ্চিমবঙ্গে হাওড়া ,হুগলি ও বীরভূম জেলার সদর শহর সিউড়িতে রয়েছে বারুইপাড়া ।এছাড়া দুই মেদনীপুর সহ অন্যান্য জেলাতেও কমবেশি এই সম্প্রদায়ের লোক বাস করে। একেবারে নিরীহ শান্ত সৌম্য ভীতু প্রকৃতির সম্প্রদায় ।তবে শৈল্পিক চিন্তাধারা বিশেষভাবে ফুটে ওঠে এই সম্প্রদায়ের। উৎপত্তি - বারুজিবী জাতির উৎপত্তি সম্পর্কে একটি প্রচলিত লোককথা রয়েছে ।সেখানে বলা হয়েছে এক শিব ভক্ত ব্রাহ্মণ ছিলেন ।তিনি প্রতিদিন শিব পূজা করতেন। কিন্তু, তার আরো অনেক কাজ ছিল ।যেমন যেমন পান চাষ, কাপড়বোনা প্রভৃতি।ব্রাহ্মণের বেশিরভাগ সময় চলে যেত ওই কাজে।তারপর কোন এক সময় পেলে শিবের মাথায় দুই একটি ফুল ছুঁড়ে কর্তব্য সারতেন। এসব দেখে শিব ঠাকুর তাকে আন্তরিকভাবে শুধুমাত্র তার পূজা করতে বললেন। এবং আরো জানিয়ে দিলেন তা করলে তার কোন অভাব থাকবে না। কিন্তু, ব্রাহ্মণ সে ...
বাংলা লুঠ কি কেবল ব্রিটিশরাই করেছিল? ১৬৫৮ সালে শাহ সুজার সময়ে বাংলার ভূমি বন্দোবস্ত হয়েছিল। আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ধার্য হয়েছিল ১ কোটি ৩১ লাখ ১৫ হাজার ৯০৭ টাকা। ১৭০০ সাল নাগাদ মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব লক্ষ্য করেন, বিভিন্ন কারণে বাংলার রাজস্ব আদায় ক্রমেই কমে আসছে। পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তিনি তাঁর বিশ্বস্ত কর্মচারী করতালাব খাঁ-কে (পরবর্তীকালে মুর্শিদকুলী খাঁ নামে বিখ্যাত) বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত করলেন। ১৭০০ সালে আদায় হল ১ কোটি ১৭ লাখ ২৮ হাজার ৫৪১ টাকা। ১৭১৭ সালে সুবাদার নিযুক্ত হয়ে বাংলার জমি জরিপ করালেন। ১৭২২ সালে নুতন ভূমি ব্যবস্থায় ১৩.৫ শতাংশ রাজস্ব বাড়িয়ে তা করা হল ১ কোটি ৪২ লাখ ৮৮ হাজার ১৮৬ টাকা। ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ নবাব সিরাজদ্দৌলা আদায় করেছিলেন ১ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৫৬১ টাকা।  নবাব হওয়ার পর মুর্শিদকুলী বাংলার ভূমি রাজস্বের আর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি দেওয়ানি বিভাগের হিসাবরক্ষক ও মুৎসুদ্দিদের জন্য এক খাতে বাংলার জমিদারদের উপর বাড়তি ভূমি রাজস্ব বসিয়েছিলেন। এর নাম ছিল 'আবওয়াব'। তাঁর উত্তরাধিকারীরা ক্রমশ এই কর বাড়াতে থাকেন, যা বাংলার গ্রামীণ অর্থনীত...